অদৃশ্য শত্রু ও আশ্চর্য ঔষধঃ ব্যাকটিরিয়া আর অ্যান্টিবায়োটিকের এক আশ্চর্য্য লড়াই

প্রিয়জনদের শেয়ার করুন
720 বার লেখাটি পঠিত হয়েছে ~~~

 

 

ধীরাজ তার বাড়ির সামনে শখে একটি ফুলগাছ লাগিয়েছিল। কিন্তু পাশের বাড়ির  মিন্টু প্রায়শই সাইকেল চালিয়ে নিজেদের বাড়ি ঢোকার সময় গাছটিকে চাপা দিয়ে আধমরা করে দিত। ধীরাজ বহুবার তাকে বলেছিল, “ভাই মিন্টু, তুই আমার গাছটাকে রেহাই দে”, কোনো ফল মেলেনি; উল্টে মিন্টু বলেছিল “তুই গাছটাকে সরিয়ে নে”! তাই উপযুক্ত শিক্ষা দিতে, চুপি চুপি মিন্টুর সাইকেলের একটি টায়ার পাংচার করে দিল ধীরাজ। ও বাবা, কদিন পরে দেখে গাছটিতে আবার ‘মিন্টাঘ্যাত’ হয়েছে। অনেক হয়েছে, এই বলে সে এবার করলো দুটো চাকাই পাংচার। সেটাও দিব্যি সারিয়ে নিল মিন্টু; সে কিন্তু বুঝেছিল এটা কার কীর্তি! এবার ধীরাজ ভীষণ রেগে গিয়ে চাকার কিছু স্পোক ভেঙে দিল। তাতে কি আর এসে গেলো! চাকা আবার ঠিক হল। শেষে সাইকেলের চাকাটাই খুলে নিতে গিয়ে হাত জখম করে যখন ধীরাজ খুব হতাশ, সহপাঠিনী ‘জ্ঞানদা শঙ্করী’ ঝুম্পা গিয়ে গ্রিসের রাজা সিসিফাস এর কাহিনী শুনিয়ে ওকে শান্ত করলো; সেই সিসিফাস যে একটা পাথর এক পাহাড়ের উপরে উঠানোর যতই চেষ্টা করত পাথরটি গড়িয়ে গড়িয়ে নিচে পড়ে যেত। এরপর থেকে ধীরাজ আর বাড়ির সামনে কখনো ফুলগাছ লাগায় নি।

যদি ব্যাকটেরিয়া সংক্রমিত রোগ-বালাইয়ের কথা বলি, গোটা মানব সমাজের অবস্থা ধীরাজের থেকে কিছু আলাদা নয়। কি করে? বলছি। ব্যাকটেরিয়া এক আণুবীক্ষণিক জীব, যার দেহে একটিই কোষ। এই দুনিয়ার সমস্ত আনাচে-কানাচে বিভিন্ন প্রজাতির ব্যাকটেরিয়া বিরাজমান, তারা প্রকৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। ব্যাকটেরিয়া ছাড়া যেমন জীবন চলবে না, তেমনি আবার কিছু ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে জীবনও চলে যায়। এই সংক্রমণকারী ব্যাকটেরিয়াই আমাদের অদৃশ্য শত্রু। যেমন যক্ষা বা টিবি রোগ যে ব্যাকটেরিয়ার জন্য হয় তার নাম মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস। ভারতীয় উপমহাদেশের সঙ্গে যক্ষার যুদ্ধ যেন চিরন্তন। প্রায় কয়েক হাজার বছর আগের লেখা ঋকবেদে যক্ষার উল্লেখ পাওয়া যায়। সুশ্রুত সংহিতায় যক্ষার প্রতিকার হিসেবে মানব দুগ্ধ, সামান্য মদ্য, ও বিভিন্ন পশু পাখির মাংস গলাধঃকরণ এর কথা বলা আছে। আধুনিক পৃথিবীতে ১৮৮২ সালে যখন রবার্ট কক রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়াটিকে শনাক্ত করেন, তখন থেকেই ওই ব্যাকটেরিয়াকে দমন করবার জন্য ওষুধ বা অ্যান্টিবায়োটিক সন্ধানের যে হিড়িক পড়ে, তা আজও অব্যাহত। ১৯২৮ সালে অ্যালেক্সান্ডার ফ্লেমিং আবিষ্কার করেন প্রথম অ্যান্টিবায়োটিক পেনিসিলিন। তারপর পরবর্তী দশকগুলোতে  আবিষ্কৃত হয়েছে বহু অ্যান্টিবায়োটিক, যেমন রিফামপিসিন খুব সাফল্য পেয়েছিলো টিবি প্রতিকারে। অ্যান্টিবায়োটিক বাঁচাতে লাগল অগণিত প্রাণ সারা বিশ্ব জুড়ে। কিন্তু দেখা দিল এক নতুন সমস্যা, কোনো অ্যান্টিবায়োটিকই বেশিদিন পরে আর কাজ করছে না। কারণ ব্যাকটেরিয়া নিজেদের মধ্যে পরিবর্তন এনে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ (Resistance) তৈরি করে ফেলছে। ব্যাকটেরিয়া ঠিক যেন মিন্টুর সাইকেল, বিজ্ঞানীরা যতই ধীরাজের মত ব্যাকটেরিয়ার বদমাইশি দমন করতে যান,  ততই তারা বদলে যায় বা নিজেদের সামলে নেয়। এখন তো এমন মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবরকুলোসিস পাওয়া গেছে যা কোনো অ্যান্টিবায়োটিকেই মরে না (Total Drug Resistant)। এর কারণ কি? এই চক্র থেকে বেরোনোর কি উপায় আছে? নতুন অ্যান্টিবায়োটিক বা আশ্চর্য ওষুধের সন্ধানে বিজ্ঞানীরা কি করছেন?  এসব জানতে হলে একটু বিশদ আলোচনার প্রয়োজন।

আগে জানতে হবে ব্যাকটেরিয়ার কোষ সম্পর্কে। একটি কোষের বেঁচে থাকার জন্য যা করণীয় – খাদ্য সংগ্রহ, শক্তি উৎপাদন, বিপাক (Metabolism), প্রজনন, শারীরিক গঠন রক্ষণাবেক্ষণ ও বজায় রাখা, উদ্দীপনায় সাড়া দেওয়া – এগুলি সব কখন ও কিভাবে করতে হবে সেই সমস্ত তথ্যনির্দেশ এক রাসায়নিক বর্ণমালার মাধ্যমে ডিএনএ তে সঞ্চিত থাকে। ওই তথ্যনির্দেশ মেনে সমস্ত কার্য্যগুলি সম্পন্ন করার দায়িত্ব কিন্তু প্রোটিনের। একটি ব্যাকটেরিয়াতে হাজার হাজার ধরনের প্রোটিন থাকে, তাদের কাজও আলাদা। এই প্রোটিন তৈরি বা সংশ্লেষ কি করে হবে সেই নির্দেশও কিন্তু লেখা থাকে ডিএনএর মধ্যে। আর এই সব প্রোটিন, বিপাকীয় পদার্থ, ডিএনএ, ইত্যাদিকে বেষ্টন করে থাকে স্নেহপদার্থ বা লিপিড দিয়ে তৈরি কোষ পর্দা। কিছু ব্যাকটেরিয়ায় আবার দুটি স্তরের কোষ পর্দা থাকে। কোষপর্দার বাইরে আবার থাকে কোষপ্রাচীর। এই বেষ্টনীগুলি ব্যাকটেরিয়াকে সুরক্ষা প্রদান করে।

এবারে আসি আশ্চর্য ওষুধ অর্থাৎ অ্যান্টিবায়োটিকের কথায়। অ্যান্টিবায়োটিক হল এমন একটি রাসায়নিক পদার্থ যেটি দিয়ে ব্যাকটেরিয়ার বেঁচে থাকার এক বা একাধিক প্রক্রিয়াকে বন্ধ করার চেষ্টা করা হয়।  যেমন, প্রোটিন সংশ্লেষ বন্ধ করতে ব্যবহার করি স্ট্রেপটোমাইসিন। কোষ প্রাচীরের কর্মকাণ্ডে ব্যাঘাত ঘটাতে ব্যবহার করি পেনিসিলিন। প্রশ্ন হল, এই রাসায়নিকগুলিকে বিজ্ঞানীরা বানালেন কি করে? এও এক চমকপ্রদ কাহিনী। ব্যাকটেরিয়া শুধু যে আমাদের আক্রমণ করে তা কিন্তু নয়; এই বেঁচে থাকার প্রতিযোগিতায় একটি ব্যাকটেরিয়া অন্য ব্যাকটেরিয়াকে আক্রমণ করতে পারে, ব্যাকটেরিয়াকে ছত্রাক আক্রমণ করতে পারে, আবার ছত্রাক-কেও  ব্যাকটেরিয়া আক্রমণ করতে পারে। আর এই সমস্ত আক্রমণ হয় রাসায়নিক অস্ত্র প্রয়োগের মাধ্যমে। আমরা যে বেশিরভাগ অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করি সেগুলি সবই আমরা সন্ধান পেয়েছি অন্য ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাকের মধ্যে। স্টেপটোমাইসিন এসেছে স্ট্রেপটোমাইসিস ব্যাকটেরিয়া থেকে, পেনিসিলিন এসেছে পেনিসিলিয়াম ছত্রাক থেকে। সেগুলিকেই আরো কার্যকারী করতে বিজ্ঞানীরা অ্যান্টিবায়োটিকের কিছু রাসায়নিক পরিবর্তন করে থাকেন। অবশ্য পরে বিজ্ঞানীরা সম্পূর্ণ কৃত্রিম উপায়েও বিভিন্ন অ্যান্টিবায়োটিক তৈরি করেছেন; যেমন ট্রাইমিথপ্রিম, যেটি ব্যাকটেরিয়ার মেটাবলিজমে ব্যাঘাত ঘটায়।

কিন্তু ব্যাকটেরিয়া অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়ে যেতে পারে বিভিন্ন ভাবে।

যেমন এক, ব্যাকটেরিয়ার বংশবৃদ্ধির এক অতি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হল নিজের ডিএনএর এক হুবহু অনুলিপি তৈরি করা। এরপর একটি কোষ বিভাজিত হয়ে দুটি কোষে পরিবর্তিত হয় আর প্রতি কোষ একটি করে ডিএনএর অনুলিপি পায়। এই ডিএনএর অনুলিপি বা কপি করার প্রক্রিয়াটা কিন্তু নির্ভুল নয়। সাধারণত কপি করতে গেলে যদি কোন ভুল হয়, মানে রাসায়নিক বর্ণমালার একটি বর্ণের জায়গায় অন্য একটি বর্ণ চলে আসে, সেটি ব্যাকটেরিয়ার জন্য বিপজ্জনক। কিন্তু ব্যাকটেরিয়া সংখ্যায় বহু।  ১ মিলিলিটার তরলে কয়েক সহস্রকোটি ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে। এরই মধ্যে, কপি করার গন্ডগোল জনিত কারণে যদি কিছু ব্যাকটেরিয়া মরেও যায়, কিছু কিছু ব্যাকটেরিয়াতে ওই ভুল থেকেই চলে আসে এক ভয়ঙ্কর পরিবর্তন, যেখানে আমাদের অ্যান্টিবায়োটিক তাক করেছিল ঠিক সেইখানে। অ্যান্টিবায়োটিক আর কাজ করে না, ঠিক যেমন পুরনো চাবি দিয়ে নতুন তালা খোলা যায় না। শুধু তাই নয়, অ্যান্টিবায়োটিক দিলে এই পরিবর্তনের হার আরও বেড়ে যায়।

দুই, ব্যাকটেরিয়া শুধুমাত্র পরিবর্তিত হওয়া ছাড়াও আরেক ভাবে নিজেদের রক্ষা করে। বিপদ দেখতে পেলেই নিজেকে নিষ্ক্রিয় করে ঘাপটি মেরে বসে যায়, বিপাকক্রিয়া প্রায় বন্ধ করে দেয়, একে সুপ্তি অবস্থা (Dormancy) বলে। এই অবস্থায় অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করে না। যদি প্রোটিন সংশ্লেষই বন্ধ করে দ্যায় ব্যাকটেরিয়া, তাহলে আমরা আবার  সেটাকে কি বন্ধ করবো? পরে ব্যাকটেরিয়া ধীরে ধীরে সুপ্তি অবস্থা কাটিয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।

তিন, ব্যাকটেরিয়ার কোষপর্দার মধ্যে এমন কিছু কল আছে, যেটা দিয়ে কোষের ভেতরে ঢোকা অ্যান্টিবায়োটিককে ব্যাকটেরিয়া বাইরে পাম্প করে বার করে দিতে পারে।

চার, ব্যাকটেরিয়া আবার দলবদ্ধভাবেও থাকতে পারে। দাঁতে যে প্লাক বা পচন ধরে হলুদ করে দেয়, সেটি একটি ব্যাকটেরিয়ার বসতি যার নাম বায়োফিল্ম। সেই দলবদ্ধ ব্যাকটেরিয়াকে ভেদ করা অ্যান্টিবায়োটিকের কাছে খুব কঠিন।

তাহলে আমরা কেন নতুন নতুন অ্যান্টিবায়োটিক খুঁজতেই থাকব? ভ্যাকসিন কেন খুঁজবো না? ভ্যাকসিন এমন একটি বস্তু যেটা আমাদের শরীরের ভেতরে প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউনিটি গড়ে তোলে। ব্যাকটেরিয়ার ক্ষেত্রে ভ্যাকসিন বানানো অনেক কারণে খুব বেশি সফল হয়নি। এর দুটি প্রধান কারণ রয়েছে, প্রথমত একটি ভ্যাকসিন কেবলমাত্র একটি ব্যাকটেরিয়ার একটি স্ট্রেন-এর (Strain) (যেমন কুকুরের অনেক ব্রিড আছে, যে কোন প্রজাতির ব্যাকটেরিয়ার সেরকম অনেক স্ট্রেন আছে) ওপরেই কার্য্যকরী হবে। ব্যাকটেরিয়ার বিভিন্ন স্ট্রেন বা বিভিন্ন প্রজাতির ব্যাকটেরিয়া কিন্তু আলাদা আলাদা, যেমন মানুষ আর হাতি মেরুদন্ডী প্রাণী হয়েও আলাদা, ঠিক তেমন। তাহলে কত শত ব্যাকটিরিয়ার জন্যে কত শত ভ্যাকসিন বানাতে হবে, তার ইয়ত্তা নেই। তাছাড়া, কার্য্যকারী ও নিরাপদ ভ্যাকসিন আবিষ্কার করা অ্যান্টিবায়োটিকের থেকে বেশি খরচসাপেক্ষ।

তাহলে আপাততঃ আমাদের উপায় – নতুন নতুন অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার করো, সেটিকে ব্যবহার করে যাও,  যতক্ষণ না পর্যন্ত ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধী হয়ে যাচ্ছে। বিজ্ঞানীরা নতুন অ্যান্টিবায়োটিক তৈরি করার জন্য গুহা, সমুদ্র, মাটি, গাছ, পাহাড় সব তন্ন তন্ন করে খুঁজছেন। যদি কোনো শত্রুপক্ষ ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাক থেকে নতুন অ্যান্টিবায়োটিক উদ্ধার করা যায়। সাফল্যও মিলেছে ২০১৬ সালে, আমেরিকার মেইন প্রদেশের বিভিন্ন মাটির চাঁই তুলে রোগ সংক্রমণকারী ব্যাকটেরিয়ার কাছে এনে রাখা হচ্ছিল এবং দেখা হচ্ছিল কিসে ব্যাকটেরিয়াটি মারা যায়। সেখান থেকে খোঁজ মেলে নতুন এক অ্যান্টিবায়োটিকের যার নাম ‘টেইক্সওব্যাকটিন ‘। এই কথা শুনে  ব্যাকটেরিয়া মারতে এখন মাটি মাখতে বসে গেলে হিতে বিপরীত হতে পারে। ২০১৫ সালে মানুষের নাকে বাস করে অথচ রোগ সৃষ্টি করে না এমন এক ব্যাকটেরিয়া থেকে আবিষ্কৃত হয়েছে নতুন অ্যান্টিবায়োটিক ‘লুগডুনিন ‘। এই নতুন ড্রাগগুলিকে এখন ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের মধ্যে দিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আশার আলো কিন্তু চরণামৃত বা ঝাড়ফুঁক নয়, বিজ্ঞানীরাই দেখাচ্ছেন।

শেষে বলবো অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার এর কথা। সামান্য জ্বর বা কাটাছেঁড়া হয়ে গেলে যথেচ্ছভাবে মুড়ি-মুড়কির মতো অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করতে বলেন কিছু ডাক্তার। তাছাড়া টুথপেস্ট (যেমন ট্রাইক্লোসান) থেকে শুরু করে দোকানে কেনা মুরগি সবের মধ্যেই যথেচ্ছ ভরে দেওয়া হয় অ্যান্টিবায়োটিক। আমরা যারা সাধারণ ক্রেতা তাদের এই বিষয়ে সাবধান হতে হবে। ব্যাকটেরিয়া আছে ও থাকবে। তাই সংক্রমণ প্রতিরোধে দুটো ‘প’ আমাদের মনে রাখতে হবে: পরিচ্ছন্নতা ও পুষ্টি। এই দুটির কোনো বিকল্প নেই।

 

—————————–

~ কলমে এলেবেলের অতিথি সৌভিক ভট্টাচার্য্য~

 

সৌভিক আমেরিকায়, University of Texas এ, অস্টিন শহরে ব্যাকটেরিয়া দলবদ্ধ ভাবে কিকরে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ করে সেই বিষয়ে গবেষণা করছেন। 

 

► লেখা ভাল লাগলে অবশ্যই লাইক করুন, কমেন্ট করুন, আর সকলের সাথে শেয়ার করে সকলকে পড়ার সুযোগ করে দিন। 

► এলেবেলেকে ফলো করুন। 

 

12 thoughts on “অদৃশ্য শত্রু ও আশ্চর্য ঔষধঃ ব্যাকটিরিয়া আর অ্যান্টিবায়োটিকের এক আশ্চর্য্য লড়াই

  • September 1, 2020 at 8:16 am
    Permalink

    সাথে থাকবেন । আমরা প্রতি সপ্তাহেই একাধিক লেখা নিয়ে আসব ।

  • September 1, 2020 at 8:18 am
    Permalink

    না, আপনাকে ধন্যবাদ আমাদের মনোবল বাড়ানোর জন্যে। সাথে থাকবেন। আমরা প্রতি সপ্তাহেই একাধিক লেখা নিয়ে আসব।

  • September 1, 2020 at 8:25 am
    Permalink

    সাথে থাকবেন । আমরা প্রতি সপ্তাহেই একাধিক লেখা নিয়ে আসব ।

  • September 1, 2020 at 10:11 am
    Permalink

    উপভোগ করলাম। আর একটু ডিটেলে হলে ভালো হয়। বিশেষ করে এ্যান্টায়বায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার কিভাবে ব্যাকটিরিয়াল রেজিস্টেন্স গোড়ে তোলে।

  • September 1, 2020 at 1:46 pm
    Permalink

    আপনার পরামর্শের জন্যে ধন্যবাদ। আমরা চেষ্টা করবো এবিষয়ে লেখার। চোখ রাখবেন।

    ইমেইলে আপডেট পেতে ওয়েবসাইট সাবস্ক্রাইব করতে ভুলবেন না।

  • September 1, 2020 at 7:10 pm
    Permalink

    খুব ভালো লাগলো ৷ অসংখ্য শুভকামনা রইলো…..

  • September 1, 2020 at 7:19 pm
    Permalink

    আপনার অনুপ্রেরানার জন্য ধন্যবাদ। পাশে থাকবেন।

    ইমেইলে আপডেট পেতে ওয়েবসাইট সাবস্ক্রাইব করতে ভুলবেন না।

Leave a Reply

free hit counter
error

লেখা ভালো লেগে থাকলে দয়া করে শেয়ার করবেন।