জি-ও-ল-জি: প্রথম পর্ব

প্রিয়জনদের শেয়ার করুন
282 বার লেখাটি পঠিত হয়েছে ~~~

ভূতত্ত্ববিদ্যার স্নাতক প্রথম বর্ষের ছাত্রছাত্রীদের কাছে খুবই সাধারণ একটা সমস্যা হল, দ্বাদশ এর পর ঠিক কি নিয়ে পড়াশোনাটা করছে সে, সেটা অন্যকে বুঝিয়ে উঠতে না পারা। ইংরেজি প্রতিশব্দের সাথে মিল থাকার দরুন অনেকেই ভূবিদ্যার সাথে প্রাণিবিদ্যাকে গুলিয়ে ফেলেন। অনেকে আবার অধিক পরিচিত একটি অন্য বিষয়, ‘ভূগোল’-এর সাথেও এটাকে এক করে ফেলেন। কেউ কেউ আবার মনে করেন আমরা (ভূতত্ত্ববিদেরা) কেবলই পাথর নিয়েই নাড়াচাড়া করে থাকি, অনেকের মতে শুধুমাত্র জীবাশ্ম ঘেঁটে ডাইনোসর-এর ‘জীবনদান’-ই আমাদের রোজনামচা। সবার মতো আমাকেও এই ধরণের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে। একবার পাড়ার মোড়ে এক কাকু জিজ্ঞেস করলেন, 

-কি নিয়ে পড়ছিস, ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি নাকি ম্যাথ?   

আমি বললাম,

– জিওলজি 

উনি বললেন,

– জুলোজি, তা ভালো, কোন কলেজ?

আমি ওনার ভুল শুধরে দিয়ে পুনরায় বললাম,

– জুলোজি নয় কাকু জিওলজি 

কাকু বললেন,

-ওই হল!

আমি তখন জিওলজি-এর বাংলা প্রতিশব্দ বলে ওনাকে কিছুটা বুঝিয়ে দিতে চেষ্টা করলাম, তাতে ওনার ধারণা কিছুটা পরিবর্তন হলো ঠিকই, কিন্তু এবার তিনি বললেন, 

– ও আচ্ছা তাই বল জিওগ্রাফি 

আবার খানিক জিওলজি আর জিওগ্রাফি-এর সূক্ষ পার্থক্যটা বোঝাতে চেষ্টা করলাম, এতে করে কাকুর আসল বিষয়টার প্রতিই কোনো আগ্রহ থাকল না, আবার অন্য কুশল মঙ্গল জিজ্ঞাসা করতে লাগলেন। এই ঘটনার পর থেকেই আমাকে কেউ এই প্রশ্ন করলে অতি সাবধানতার সাথে ইংরেজি পরিভাষাটি বর্জন করে সোজা বাংলাতে উত্তর দিতাম – ভূতত্ত্ববিদ্যা নিয়ে প্রথমবর্ষের ছাত্র। এই ধরণের ধারণার পেছনে একটা বড় কারণ হল ভূতত্ত্ববিদ্যা আমাদের স্কুল শিক্ষার অঙ্গ ছিল না। এখন যাও বা আছে হাতে গোনা কয়েকটা বিদ্যালয়ে। ভারতবর্ষে এই বিজ্ঞানের শাখাটির প্রচারও অনেকটাই কম। মূলস্রোতের বিজ্ঞানের অঙ্গ হলেও এটি অন্যদের থেকে অনেকটাই আলাদা। বিজ্ঞানের এই শাখাটিকে ঐতিহাসিক বিজ্ঞানও বলা চলে, কারণ মূলত পৃথিবীর জন্মকাল থেকে আজ পর্যন্ত পৃথিবীতে যা যাবতীয় ঘটনা ঘটেছে, যেটা কিনা পৃথিবীর স্থল, জল ও অন্তরীক্ষের পরিবর্তনের সাথে জড়িত তা নিয়ে আলোচনা করাটাই প্রতিপাদ্য। বর্তমানে পৃথিবীর পারিপার্শ্বিক গ্রহগুলির রূপ পরিবর্তনের ওপরেও নজর রাখে বিজ্ঞানের এই শাখাটি। 

বিজ্ঞানের এই শাখাটিকে ঐতিহাসিক বিজ্ঞানও বলা চলে, কারণ মূলত পৃথিবীর জন্মকাল থেকে আজ পর্যন্ত পৃথিবীতে যা যাবতীয় ঘটনা ঘটেছে, যেটা কিনা পৃথিবীর স্থল, জল ও অন্তরীক্ষের পরিবর্তনের সাথে জড়িত তা নিয়ে আলোচনা করাটাই প্রতিপাদ্য।

একটু গোড়ার দিক থেকে শুরু করলে বলা যায়, যেদিন থেকে মানুষ পৃথিবী সৃষ্টির রহস্য উদ্ঘাটনে নিমজ্জিত হয়েছে, তখন থেকেই এই বিষয়ের গোড়াপত্তন। প্রাচীন গ্রীসে প্রথম পৃথিবীর জন্ম নিয়ে ভাবনাচিন্তার শুরু। খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতকের দার্শনিক অ্যারিস্টটল লক্ষ্য করেন পৃথিবীতে এমন কিছু পরিবর্তন ঘটে চলেছে যা সম্পূর্ণরূপে কোনো মানুষের জীবৎকালে প্রত্যক্ষ করা সম্ভব নয়। তিনিই প্রথম পৃথিবীর মন্থর রূপ পরিবর্তন সংক্রান্ত তত্ত্ব দেন। পরবর্তীকালে দার্শনিক থিওফ্রাস্টাস খনিজ ও আকরিকের বিভিন্ন বৈশিষ্টের ভিত্তিতে প্রারম্ভিক শ্রেণীবিন্যাস করেছিলেন। অন্যদিকে আল বিরুনী (৯৭৩-১০৪৮ খ্রিস্টাব্দ) ছিলেন একদম প্রথম সময়ের ভূতত্ত্ববিদদের অন্যতম যিনি প্রথম অনুমান করেন বর্তমান ভারতবর্ষের স্থানে একসময় সমুদ্র বিরাজ করতো। চৈনিক মধ্যযুগীয় প্রকৃতিবিদ শেন কুও (১০৩১-১০৯৫ খ্রিস্টাব্দ) ক্রমাগত জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টি নথিভুক্ত করেন। এছাড়াও তিনি প্রস্তুরীভূত বাঁশ নিরীক্ষণ করে ভূমি গঠনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে একটি সম্যক ধারণা দেন। সপ্তদশ শতকে নিকোলাস স্টেনো প্রথম স্তরীয় ভূতলের ধারণা পোষন করেন, পরবর্তী প্রজন্মের গবেষকগণ তাঁকেই আধুনিক স্তরীয়বিদ্যার অগ্রদূত বলে মনে করেন। খনিজের বাড়তে থাকা চাহিদা অষ্টাদশ শতকে পৃথিবী সম্পর্কে মানুষকে আরও আগ্রহী করে তোলে। তার ফল স্বরূপ ১৭৭৪ খ্রিস্টাব্দে আব্রাহাম গোটতলব ওয়ার্নের তার বইয়ে খনিজের বাহ্যিক বৈশিষ্ট্যকে অস্ত্র করে তাদের চিহ্নিতকরণের একটি পন্থা বাতলে দেন। এইভাবেই ধাপে ধাপে বৈজ্ঞানিক উপায়ে পৃথিবীর ইতিহাস খুঁজে বের করাটা বিজ্ঞানের একটি স্বতন্ত্র ক্ষেত্র হয়ে ওঠে। যদিও ‘জিওলজি’ এই শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন জেনেভার দুই প্রকৃতিবিদ, ১৭৫১ এর শুরুর দিকে যখন এই শব্দটি এনসাইক্লোপিডিয়ার অঙ্গ হয়ে ওঠে তখনই এটি বৈজ্ঞানিক মহলে পরিচিতি লাভ করে। এই অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি ফ্রান্স-এর প্রথম সারির এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, “ন্যাচারাল মিউজিয়াম অফ ন্যাচারাল হিস্ট্রি”-তে প্রথম স্বতন্ত্র শিক্ষণ অবস্থান তৈরী হয়েছিল। ঊনবিংশ শতকের গোড়ার দিকে খনন শিল্পে বিপ্লব আসে যার দরুন স্তরীয় বিজ্ঞান সংক্রান্ত গবেষণা ত্বরান্বিত হয়। স্তরীয়বিন্যাসের ক্ষেত্রে জীবাশ্মর ভূমিকা ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে  থাকে। এই ভাবেই ভূতত্ত্ববিদ্যার পরিধি বাড়তে থাকে নতুন নতুন ধারণার সংযোজনে। পরবর্তী কালে আধুনিক ধারণাগুলো ধাপে ধাপে আসতে থাকে – ” Law of uniformitarianism”, “Law of superposition”, “Continental drift theory”, “Plate Tectonics” ইত্যাদি। এই ধারণাগুলির প্রত্যেকটি সৃষ্টির নিজ নিজ ইতিহাস আছে যা অন্য কোনো এক সংখ্যায় আলোচনা করা যাবে। 

একটু গোড়ার দিক থেকে শুরু করলে বলা যায়, যেদিন থেকে মানুষ পৃথিবী সৃষ্টির রহস্য উদ্ঘাটনে নিমজ্জিত হয়েছে, তখন থেকেই এই বিষয়ের গোড়াপত্তন। 

ভারতবর্ষে ভূবিজ্ঞানের চর্চা শুরু হয় উনিশ শতকের গোড়ার দিকে, যখন আমাদের দেশ ব্রিটিশদের অধীনস্ত। ভারতবর্ষ মূল্যবান খনিজে পরিপূর্ণ এক দেশ, ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দেশের উৎকর্ষতাকে অনুভব করে, বাণিজ্যিক ভাবে সেই সম্পদকে ব্যবহারের উদ্দেশ্যেই ভারতবর্ষে ভূতত্ত্ববিদ্যার বীজ রোপন করে। H.W. Voysey (১৮১৮-১৮২৩ খ্রি:) প্রথম হায়দ্রাবাদ অঞ্চলের ভূতাত্ত্বিক মানচিত্র ও বিশদ প্রতিবেদন তৈরী করেন। ১৮৩৭ সালে “The Investigation of Coal and Mineral Resource” নামক একটি কমিটি গঠন করা হয়, D.H.Williams-কে সেই কমিটির সভাপতি নির্বাচন করা হয়, যিনি ছিলেন প্রথম পেশাদারি ভূতত্ত্ববিদ। এরপর ১৮৪০ সালে এশিয়াটিক সোসাইটি অফ বেঙ্গলের (Asiatic Society of Bengal) তিনটি ঘর নিয়ে কলকাতায় স্থাপিত হয় ” মিউজিয়াম অফ জিওলজি (Museum of Geology)”।  ১৮৪৮ খ্রিস্টাব্দে “জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (Geological Survey of India-GSI)” শব্দবন্ধটি প্রথম ব‍্যবহৃত হলেও, আইরিশ ভূতত্ত্ববিদ্ ও অধ‍্যাপক Sir Thomas Oldham-এর নেতৃত্বে ১৮৫১ সালে জি এস আই (GSI)-এর গোড়াপত্তন হয় কলকাতা শহরে। স্বাধীনতার চার বছর পর ১৯৫১ সালে এম এস কৃষ্ণান প্রথম ভারতীয় যিনি “ভারতীয় ভূবৈজ্ঞানিক সর্বেক্ষণ (Geological Survey of India)”-এর অধিকর্তা নিযুক্ত হন। এখনও ভারতবর্ষে ভূবিজ্ঞানের সমস্ত দিকই এই সংস্থার তত্ত্বাবধানে হয়ে থাকে। পরবর্তী কালে ২০০৫ সালের জুলাই মাসে “পৃথিবী বিজ্ঞান মন্ত্রালয় (Ministry of Earth Sciences-MoES)” নামক মন্ত্রক তৈরি করে ভারত সরকার। 

এতো গেল ভূতত্ত্ববিদ্যার স্বতন্ত্র বিজ্ঞানের শাখা হয়ে ওঠার গল্প, এবারে দেখে নেওয়া যাক এই বিজ্ঞানের প্রশাখাগুলো কি কি।  ভূতত্ত্ববিদ‍্যার পরিধি অনেকটাই বড়, এতে পদার্থবিদ‍্যা, রসায়ণ,জীববিদ‍্যা, গণিত সমস্ত জ্ঞানের প্রয়োগ হয়ে থাকে সমানভাবে। ভূতত্ত্ববিদ‍্যার কয়েকটি উল্লেখযোগ্য শাখা হল-

১. আগ্নেয়শিলাবিদ‍্যা (Igneous Petrology)- আগ্নেয়শিলার বাহ‍্যিক ও আভ্যন্তরীণ বৈশিষ্ট্য এর ভিত্তিতে শ্রেণী বিন‍্যাস করা এবং তাদের সৃষ্টির রহস্য খোঁজায় মূল উদ্দেশ্য।

২. পাললিকশিলাবিদ‍্যা (Sedimentology)- পাললিক শিলার গঠন, উৎপত্তি,আকার ও প্রকৃতি ইত‍্যাদি নিয়ে আলোচনা।

৩.রূপান্তরিতশিলাবিদ‍্যা (Metamorphic Petrology)-আগ্নেয় ও পাললিক শিলার রূপান্তরের যাবতীয় গল্প।

৪.স্ফটিকবিদ‍্যা (Crystallography)-খনিজের বিভিন্ন প্রাকৃতিক গঠন নিয়ে আলোচনা।

৫.খনিজবিদ‍্যা (Mineralogy) -শিলা যে সমস্ত খনিজ দিয়ে তৈরী তাদের আকার, গঠন ও নানা বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা ও শ্রেণীবিন্যাস। 

৬.গঠনগত ভূবিদ‍্যা (Structural Geology)- পৃথিবীর যাবতীয় আকার ও আকৃতির পরিবর্তন ও তার কারণ নিয়ে আলোচনা। 

৭. ভূপদার্থবিদ্যা (Geophysics)- পৃথিবীর যাবতীয় চৌম্বকীয়, ভূকম্পন সম্বন্ধীয়, অভিকর্ষীয় পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করা।

৮. ভূরসায়ন (Geochemistry)- পৃথিবীর সৃষ্টি থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত পৃথিবীর রাসায়নিক পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা ও বিভিন্ন পদ্ধতির সাহায্যে পৃথিবী ও পৃথিবীর গঠনগত পদার্থের বয়স নির্ণয় করা।  

৯. জীবাশ্ম বিজ্ঞান (Palaeontology)- জীবাশ্ম ঘেঁটে ভূতাত্ত্বিক সময়ে (Geological Timescale) ধাপে ধাপে জীবেদের আবির্ভাব ও তাদের বিবর্তন নিয়ে গল্প বলা।

১০. ভূস্তরীয়বিদ্যা (Stratigraphy)- ভূপৃষ্ঠ স্তরের ওপর স্তর সাজিয়ে তৈরী হয়েছে। সেই স্তরগুলিকে ভূতাত্ত্বিক সময় অনুযায়ী সাজানোটাই এই বিদ্যার মূল উদ্দেশ্য।

১১. জলসংক্রান্ত ভূতত্ত্ববিদ্যা (Hydrogeology)- পৃথিবীতে যেখানে যেখানে জলের অস্তিত্ব আছে সেই সমস্ত জলের গতিবিধি ও রাসায়নিক গঠন নিয়ে আলোচনা করা হয় এই শাখায়। ভূগর্ভস্থ জলের সম্পর্কে জ্ঞান লাভের ক্ষেত্রে এই শাখাটির ভূমিকা গুরুত্ত্বপূর্ণ।

১২. গ্রহ বিজ্ঞান (Planetary Science)- আমাদের সৌরজগতের বাকি গ্রহ, উপগ্রহ ও অন্যান্য সদস্যদের ভূতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করা। 

১৩. আকরিক ভূতত্ত্ববিদ্যা (Ore Geology)- যে সমস্ত খনিজের বাণিজ্যিক মূল্য আছে তাদের সৃষ্টি কিভাবে হয় ও কোথায় গেলে তাদের খুঁজে পাওয়া যাবে সেই সমস্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় এই শাখায়।

১৪. জ্বালানি বিষয়ক ভূতত্ত্ববিদ্যা (Fuel Geology)- মূলত কয়লা ও পেট্রোলিয়াম নিয়েই আলোচনা হয়ে থাকে, তবে বর্তমানে অন্যান্য বিকল্প জ্বালানি সংক্রান্ত পড়াশোনাও হচ্ছে।  

১৫. খনন ভূবিদ্যা (Mining Geology)- খনিজ উত্তোলনের উপায় ও খননের উপযুক্ত জায়গা খুঁজে বের করাটাই উদ্দেশ্য।

এছাড়াও আরো অনেক প্রশাখা রয়েছে ও নতুন নতুন সংযোজনও চলছে। আশা করি এবারে জুলোজি বা জিওগ্রাফি এর সাথে পার্থক্যটা কিছুটা স্পষ্ট করা গেছে। আচ্ছা, এবারে হয়তো প্রশ্ন আসবে এতো কিছু যে পড়াশোনা করা গেল, এর প্রয়োগ কি কি ক্ষেত্রে হয়? অথবা ভারতবর্ষে কোন কোন ক্ষেত্রে আমরা কাজে লাগতে পারি? 

এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর পেতে অপেক্ষা করতে হবে পরের পর্বের জন্য।

তথ্যসূত্র:

১. Moore, Ruth. The Earth We Live On. New York: Alfred A. Knopf, 1956. p. 13

২. Asimov, M. S.; Bosworth, Clifford Edmund (eds.). The Age of Achievement: A.D. 750 to the End of the Fifteenth Century: The Achievements. History of civilizations of Central Asia. pp. 211–14. ISBN 978-92-3-102719-2.

৩. Jardine, Secord & Spary 1996, pp. 212–14

৪. www.gsi.gov.in

৫. www.moes.gov.in/

———————————-

~ কলমে এলেবেলে উদ্দালক ~

এলেবেলে দলবল 

► লেখা ভাল লাগলে অবশ্যই লাইক করুন, কমেন্ট করুন, আর সকলের সাথে শেয়ার করে সকলকে পড়ার সুযোগ করে দিন। 

► এলেবেলেকে ফলো করুন। 

 

লেখাটি পঠিত হয়েছে Web Hits বার

 

 

4 thoughts on “জি-ও-ল-জি: প্রথম পর্ব

  • December 1, 2020 at 3:04 pm
    Permalink

    খুব ভালো আর ঝরঝরে লেখা। পাঠক হিসাবে আমার খুব লাভ হোল। অনেক কিছু জানতে পারলাম।

  • December 2, 2020 at 4:01 am
    Permalink

    Very clear writing for the common people to understand the actual meaning of Geology rather than Zoology and Geography. An impressive write-up for the interested reader's.

  • December 7, 2020 at 11:00 am
    Permalink

    সমস্যা টা সাধারণ? Common এর অন্য বাংলা প্রতিশব্দ ব্যবহার করুন! সার্বজনীন হতে পারে, বা চেনা!সাধারণ বললে ordinari ও বোঝায়

  • December 8, 2020 at 11:24 am
    Permalink

    স্বল্প পরিসরে সুন্দর লেখা ৷ সাধু প্রয়াসটা জারি থাকুক।

Leave a Reply

free hit counter
error

লেখা ভালো লেগে থাকলে দয়া করে শেয়ার করবেন।