কোভিড ভ্যাক্সিনেই কি মিলবে কর্কট (ক্যান্সার) রোগমুক্তির আশ্বাস?

প্রিয়জনদের শেয়ার করুন
480 বার লেখাটি পঠিত হয়েছে ~~~

-আরে দাদা খবর টা শুনলেন? 

-কোনটা বলুন তো? 

-ঐ যে একবার কোভিড ভ্যাক্সিন নিলে আর নো চিন্তা, কর্কট রোগও ছুঁতে পারবে না মশাই!

– কি বলছেন মশাই? ক্যান্সার? 

-তবে আর বলছি কি, আজই পড়লাম সকাল বেলা খবরের কাগজে, এক ঢিলে দুই পাখি!

কোভিড ভ্যাক্সিন কি তবে ক্যান্সার প্রতিরোধী? কি বলছে বিজ্ঞান, আসুন দেখে নেওয়া যাক!

ভ্যাক্সিন কি তা আশাকরি সবাই জানেন, তাও যারা জানতেন না তারা করোনা ভাইরাস আর এলেবেলের  সৌজন্যে এতদিনে জেনে গেছেন নিশ্চয়ই। ভ্যাক্সিন হলো সেই  জিনিস যা রোগ হবার আগে আপনার শরীরে প্রবেশ করিয়ে দিলে ভবিষ্যতে আপনার সেই রোগ হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে। তবে শুনতে যতটা সহজ ততটা কিন্তু আদপে না। এই ভ্যাক্সিনের হরেক ধরণ, তাদের কাজ করার ধরণও ভিন্ন ভিন্ন। এলেবেলেতে এই নিয়ে একাধিক প্রবন্ধ রয়েছে, চাইলে পড়ে দেখতে পারেন। যে কয়েকটি ভ্যাক্সিন FDA ব্যবহার উপযোগী বলে গণ্য করেছে তার মধ্যে ফাইজার আর বায়োএনটেকের তৈরি ভ্যাক্সিন এবং মডার্না ভ্যাক্সিনের নাম আপনি অবশ্যই শুনে থাকবেন। এই দুই ভ্যাক্সিনই হলো mRNA ভ্যাক্সিন। আপনি বলবেন RNA তো জানি কিন্তু mRNA আবার কি বস্তু! আসলে এটি RNA-এর একটি প্রকারভেদ যার অর্থ এর নামের মধ্যেই আছে, ‘m’ কথাটি এসেছে মেসেঞ্জার অর্থাৎ বার্তাবাহক থেকে। এই mRNA প্রোটিনের বার্তা বয়ে নিয়ে বেড়ায় কিনা, তাই এহেন নাম। ভ্যাক্সিন অনেক রকম হলেও তাদের মূল উদ্দেশ্য কিন্তু একই, সেটা হল আমাদের শরীরেই এমন অবস্থার তৈরি করা যাতে আমাদের অনাক্রম্যতা ব্যবস্থা ভাবে যে সেই রোগের জীবাণু বুঝি আমাদের শরীরে ঢুকে পড়েছে। সেই মতো অনাক্রম্যতা প্রদানকারী কোষগুলি নিজেদেরকে তৈরি করে নেয়; যার ফলে ভবিষ্যতে সত্যি সত্যি সেই জীবাণু আমাদের শরীরে প্রবেশ করলেও সংক্রমণ ছড়াতে পারে না। তার আগেই অনাক্রম্যতা কোষের সৈন্যদল তাদের খতম করে দেয়। mRNA অন্যান্য ভ্যাক্সিনের চেয়ে কেন আলাদা সেটা এই লেখা পড়লেই জানতে পারবেন। এ বিষয়ে আর কথা বাড়াচ্ছি না। কোভিড-১৯ ভ্যাক্সিন নিলে নাকি ক্যান্সার-এর সম্ভাবনাও কমে যাবে, মানে কোভিড ভ্যাক্সিন ক্যান্সার প্রতিরোধী হতে পারে, ইদানিং এই খবর আপনাদের চোখে পড়ে থাকবে। আসুন জেনে নেওয়া যাক এই ধরনের মন্তব্যের সত্যতা কতটা। এই প্রশ্নের উত্তর পেতে গেলে আমাদের ফিরে যেতে হবে mRNA গবেষণার একদম শুরুর দিকে। mRNA ব্যবহার করে বিভিন্ন রোগের চিকিত্সা কিন্তু নতুন কিছু না, সেই ১৯৭০ এর দশক থেকে বিজ্ঞানীরা এই নিয়ে চেষ্টা করে চলেছেন। কিন্তু হঠাৎই এই পদ্ধতির ব্যবহার সীমিত হয়ে পড়ে, যার মূল কারণ ছিল mRNA ইঞ্জেকশন দেওয়ার ফলে অনেক ক্ষেত্রেই মারাত্মক প্রদাহের সৃষ্টি হয় যা অনেক সময় প্রাণঘাতীও হতে পারে। এমনই এক বিজ্ঞানী ছিলেন কাতালিন কারিকো, যিনি এই mRNA নিয়ে কাজ করছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। ১৯৮০ সাল থেকে তিনি mRNA নিয়ে গবেষণারত ছিলেন, শেষমেষ 2008 সালে তিনি আবিষ্কার করলেন এমন এক পদ্ধতি যা দিয়ে RNA-এর বার্তা চেঞ্জ না করেই তাকে এমন ভাবে পাল্টে ফেলা যায় যাতে কোনরকম প্রদাহ বা প্রাণনাশের ঝুঁকি থাকে না। তিনি mRNA কোডের একটি অক্ষর ‘ইউরিডিন’কে সরিয়ে তার জায়গায় বসিয়ে দেন সিউডোইউরিডিন, আর তাতেই কাজ হয় ম্যাজিকের মত। RNA-এর বার্তা অপরিবর্তিত থাকে আর চিকিৎসা পদ্ধতিও হয় ঝুঁকিমুক্ত। কারিকোর এই কাজ নজরে আসে উগুর সাহিন এবং ওজলেম তুরেকির, এই দম্পতি ছিলেন বায়োএনটেক-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা, পেশায় ছিলেন অনকোলজিস্ট। তারা বিন্দুমাত্র দেরি না করে কারিকোকে ডেকে নেন তাদের সাথে কাজ করার জন্য, শুরু থেকেই তারা ক্যান্সার নিরাময় নিয়ে সবথেকে বেশি আগ্রহী ছিলেন। কিন্তু পরে তারা অন্যান্য ভাইরাস ঘটিত রোগের ভ্যাকসিন বানাতে শুরু করেন। ক্যান্সারের কোষ বা টিউমার ধ্বংস করতে সাধারণত উচ্চশক্তির বিকিরণ বা রাসায়নিকের প্রয়োগ করা হয়। এতে অন্যান্য সুস্থ কোষেরও চরম ক্ষতি হয়। তাই এর বিকল্প হিসেবে উনারা কাজ শুরু করেন ক্যান্সার চিকিৎসায় mRNA পদ্ধতি নিয়ে। ছোট করে জেনে নেওয়া যাক ক্যান্সার এর mRNA ভ্যাকসিন কীভাবে তৈরি করা হয়?

প্রথমে ব্যাক্টেরিয়া-খেকো ভাইরাস বা ব্যাকটেরিওফাজের উৎসেচক RNA পলিমারেজ এবং টিউমার সম্পর্কিত অ্যান্টিজেনের সংকেত বহনকারী DNA -এর ছাঁচ ব্যবহার করে দেহের বাইরে থাকা কোষের মধ্যে mRNA সংশ্লেষ করানো হয়। এরপর সেটি ইনজেকশনের মাধ্যমে দেহের মধ্যে প্রবেশ করানো হয়। দেহ কোষের সাইটোপ্লাজমে প্রবেশ করে তা পোষক কোষের উৎসেচক ব্যবহার করে ট্রান্সলেশন পদ্ধতিতে প্রোটিন উৎপাদন করতে শুরু করে। এরপর প্রোটিনগুলি ছোট ছোট পেপটাইডে পরিণত হয় এবং MHC এর সাথে যুক্ত হয়ে সেগুলি অ্যান্টিজেন প্রদর্শনকারী কোষ (APC) দ্বারা প্রদর্শিত হয়। ফলে নির্দিষ্ট T কোষ সেই পেপটাইড-MHC কমপ্লেক্সকে সহজেই চিহ্নিত করতে পারে এবং তার বিরুদ্ধে অনাক্রম্যতা জাগিয়ে তোলে। কিন্তু mRNA যে প্রোটিনগুলো তৈরি করে সেগুলি খুব সহজেই প্রোটিওজোমের দ্বারা ভেঙে যায় এবং MHC ক্লাস 1 এর ওপরে প্রদর্শিত হয় ও CD8+ কোষকে উদ্দীপিত করে তোলে। ফলে সেই নির্দিষ্ট টিউমারের বিরুদ্ধে দেহে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে ওঠে।

এবার জেনে নেওয়া যাক এই ধরনের ভ্যাক্সিন ব্যবহারের সুবিধা কি কি?

  • mRNA শুধুমাত্র সাইটোপ্লাজমে ঢুকলেই তা থেকে প্রোটিন তৈরি হতে পারে। কিন্তু ডিএনএ ভ্যাকসিন-এর ক্ষেত্রে তাকে কোষপর্দা ভেদ করে সোজা ঢুকতে হয় নিউক্লিয়াসের মধ্যে mRNA তৈরীর জন্য।
  • RNA পোষক কোষের জিনোমের সাথে সংযুক্ত হয় না, এর ফলে কোনরকম অঙ্কোজেনিক প্রতিক্রিয়াও থাকে না।
  • RNA কোস্টিমুলেটরি সিগন্যাল সরবরাহ করার মাধ্যমে অ্যাডজুভেন্ট হিসাবে কাজ করে। যেমন TLR-3, TLR-7, TLR-8 এর মাধ্যমে।

কীভাবে আরএনএ ভ্যাকসিনকে পরিবর্তিত করা হয়?

  • ইউক্যারিওটিক কোষের mRNA তে 5′ এবং 3′ আনট্রান্সলেটেড অঞ্চল, কোডিং অঞ্চল, m7G টুপি, 3′ পলি (A) লেজ থাকে।
  • ইন ভিট্রো পদ্ধতিতে উৎপন্ন mRNA টির সাথে অ্যান্টি রিভার্স ক্যাপ অ্যানালগ জুড়ে m7G টুপি তৈরি করা হয়।
  • যেখান থেকে mRNA তৈরি হচ্ছে সেই DNA টেমপ্লেটের সাথে পলি (A) লেজের সংযোজন করা হয়।
  • এবং কিছু গ্লোবিন UTR যুক্ত করে  আলফা ও বিটা গ্লোবিন mRNA তৈরি করা হয়েছে, যারা খুব স্থায়ী হয়।
  • এছাড়াও এতে মডিফায়েড নিউক্লিওসাইড (সিউডো-ইউরিডিন) থাকে যাকে TLR-3, TLR-7, TLR-8, RIG-1, PKR চিনতে পারে না। ফলে ধ্বংসও করতে পারে না।

ভ্যাকসিনের সাথে অ্যাডজুভেন্ট যুক্ত করে তার অনাক্রম্যতা সাড়াকে অনেকাংশে বাড়ানো হয়। ধনাত্মক পেপটাইড প্রোটামিনকে mRNA-এর সঙ্গে যুক্ত করে তাকে আকারে বড় করা হয়। ফলে অ্যান্টিজেন পোষক কোষে খুব ধীরগতিতে নির্গত হতে থাকে এবং ইফেক্টর মেমারি কোষ তৈরি করার মাধ্যমে তীব্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে।

নির্দিষ্ট অ্যান্টিজেন সমন্বিত mRNA ভ্যাকসিন পোষক কোষে প্রবেশ করে সেই অ্যান্টিজেনের বিরুদ্ধে প্রচুর পরিমাণে IgG অ্যান্টিবডি এবং ধ্বংসাত্মক T কোষ উৎপন্ন করে। এই ধ্বংসাত্মক T কোষ ইন্টারফেরন-গামার উৎপাদনকে বাড়িয়ে দেয় এবং সেই নির্দিষ্ট অ্যান্টিজেনের সাপেক্ষে টিউমার কোষগুলিকে ধ্বংস করে দেয়। এরপর বুস্টার ডোজ হিসাবে পুনরায় কোষে ভ্যাকসিন প্রবেশ করিয়ে মেমারি কোষ উৎপাদনকে ত্বরান্বিত করা হয়। 

mRNA কে কী রূপে কোষের  মধ্যে প্রবেশ করানো হয়?

  • নগ্ন বা অনাবৃত mRNA ভ্যাকসিন, জিন গান, প্রোটামিনের সাথে যুক্ত করে এবং ক্যাপসুল আকারে mRNA কোষে প্রবেশ করানো হয়।
  • জিন গান পদ্ধতিতে mRNA -কে সোনার কণা দ্বারা আবৃত করে ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়।
  • প্রোটামিন সাধারণত দেহে প্রবেশ করে বিপদ সংকেতের বার্তা দেয় এবং MyD88 সহ TLR-7, TLR-8 অনাক্রম্য পথগুলিকেও উদ্দীপিত করে।
  • এছাড়া লিপোজোম (একধরনের দ্বিস্তরীয় লিপিডের গোলাকার থলি বিশেষ) -এর মাধ্যমেও mRNA -কে দেহে প্রবেশ করানো হয়। 
  • টিউমার কোষের নির্দিষ্ট একটি অ্যান্টিজেন নিয়ে mRNA তৈরি করে ডেনড্রাইটিক কোষের মাধ্যমে তা ক্যান্সার নির্মূল করতে ব্যবহার করা হয়।

ক্যান্সার থেরাপিতে mRNA ভ্যাকসিন খুবই কার্যকরী। এই ধরনের ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন রুগীর স্পেসিফিক অ্যান্টিজেন, ছোট্ট একটি টিউমার থেকে খুব সহজেই পাওয়া যায। এবং তা খুবই খুবই স্থায়ী হয়। এই mRNA ক্যান্সার  ভ্যাকসিনের অনেকক্ষেত্রে এখনো ট্রায়ালে পর্ব  চলছে। তবে বেশ কিছু ক্ষেত্রে তা সফলতা এনেছে, যেমন— প্রস্টেট ক্যান্সার চিকিৎসায়। বর্তমানে অবশ্য ক্যান্সার চিকিৎসায় mRNA ভ্যাকসিনকে রেডিয়েশন থেরাপির সাথে একত্রে প্রয়োগ করা হচ্ছে। এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হল রেডিয়েশন খুব তাড়াতাড়ি স্থানীয় সাইটোকাইন ক্ষরণের মাধ্যমে এবং স্থানীয় MHC (মেজর হিস্টোকম্প্যাটিবিলিটি কমপ্লেক্স) -কে উদ্দীপিত করে টিউমার কোষকে মারতে সাহায্য করে। এছাড়া বেশ কিছু ফ্যাক্টর প্যাটার্ন রেকগনিশান রিসেপটার (PRR) -এর সাহায্যে ডেনড্রাইটিক কোষ (একধরনের APC) -কে উদ্দীপিত করে ডেনড্রাইটিক কোষ এবং টি কোষের মধ্যে টিউমারের নির্দিষ্ট অ্যান্টিজেনকে ধ্বংস করার যোগসূত্র তৈরি করে। অন্যদিকে, ক্যান্সারের টিকাকরণ মেটাস্ট্যাটিক ক্যান্সার অর্থাৎ সারা দেহে তার ছড়িয়ে পড়াকে আটকায়। এই পদ্ধতিতে বর্তমানে মস্তিষ্কের ক্যান্সার, মেলানোমা, ফুসফুসের ক্যান্সার, বৃক্ক সহ ডিম্বাশয়ের ক্যান্সার নিরাময় করা সম্ভব হয়েছে।

ক্যান্সার সহ নানা রোগের চিকিত্সায় mRNA ভ্যাক্সিন নিয়ে গবেষণা কিন্তু চলছে বহু আগে থেকে, বেশ কিছু ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্যও পাওয়া গেছে। তবে শুধু ‘mRNA’ শব্দের মিল থাকবার কারণে এটা কখনই ভেবে নেবেন না যে দুটোই একই, বা একটাতেই দুটো কাজই হবে। এই mRNA এমনভাবে বানানো হয়ে থাকে যা আপনার শরীরে ঢুকে নির্দিষ্ট প্রোটিন বানাবে, যে প্রোটিনের বার্তা আগে থেকেই দেওয়া থাকবে mRNA এর মধ্যে। কোভিড ভ্যাক্সিনের ক্ষেত্রে তাতে কাঁটা প্রোটিনের বার্তা থাকে, তা দিয়ে ক্যান্সার নিরাময় হবে না বা ভবিষ্যতের জন্য কোন প্রতিরোধী ব্যবস্থাও তৈরি হবে না আপনার দেহে। তাই কোভিড-১৯ থেকেই শুধু এই ভ্যাক্সিন আপনাকে বাঁচাতে পারে, ক্যান্সার থেকে না। 

তবে শুধু ক্যান্সার না, দুরারোগ্য জেনেটিক ব্যাধি এবং হৃদরোগের মত নানান রোগের বিরুদ্ধে এই এম আর ভ্যাকসিন নিয়ে কাজ চলছে এবং কিছু ক্ষেত্রে তা ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল’ অব্দি এগিয়েছে। তাই কোভিড-১৯   ভ্যাক্সিন ক্যান্সার প্রতিরোধ না করলেও এত কম সময়ের মধ্যে সফল আরএনএ ভ্যাকসিন বাজারে আনা নিঃসন্দেহে mRNA ভ্যাক্সিন গবেষণাকে কয়েক কদম এগিয়ে দেবে। ভবিষ্যতে ক্যান্সারসহ বহু দুরারোগ্য ব্যাধির চিকিৎসা এবং প্রতিরোধে mRNA যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে চলেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এই আবিষ্কার এতটাই যুগান্তকারী যে কারিকো নোবেল পুরস্কার পেতে পারেন এমন কানাঘুসোও আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান মহলে কান পাতলে শোনা যায়। 

——————————————

 

~ কলমে এলেবেলে অর্চিষ্মান ও এলেবেলে দিশানী ~

এলেবেলের দলবল

► লেখা ভাল লাগলে অবশ্যই লাইক করুন, কমেন্ট করুন, আর সকলের সাথে শেয়ার করে সকলকে পড়ার সুযোগ করে দিন। 

► এলেবেলেকে ফলো করুন। 

 

লেখাটি পঠিত হয়েছে web counter বার

 

 

 

 

Leave a Reply

free hit counter
error

লেখা ভালো লেগে থাকলে দয়া করে শেয়ার করবেন।